রাজধানীর খিলগাঁয় অবস্থিত সুপার শপ স্বপ্ন। ২৫ কেজি চালের একটি বস্তা দেখিয়ে ক্রেতা এর দাম জানতে চান। বিক্রয়কর্মী জানিয়ে দেন দুই হাজার টাকা। ক্রেতা আবার জানতে প্রশ্ন করেন, ‘কত’? উত্তর আসে দুই হাজার টাকা। কয় কেজি? জবাব দেয়া হয় ২৫ কেজি। তাহলে প্রতি কেজির দাম কত পড়ল? জবাব আসে ৮০ টাকা। কী চাল এগুলো? উত্তর- এক নম্বর নাজির শাইল। ক্রেতার প্রশ্ন, তবে দুই নম্বরটার দাম কত? বিক্রয়কর্মী জানালেন, আমাদের এখানে খোলা নাজির শাইলের দুইটা কোয়ালিটি আছে। একটা ৬২ টাকা কেজি, অন্যটা ৬৬ টাকা। আর মিনিকেট আছে ৫২ এবং ৫৮ টাকা দরে।

Read more ...

অন্যান্য বারের মত বাজেট প্রস্তাবের আগে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা এবার লক্ষ করা যায়নি। চাল, ডাল, তেল ও চিনিসহ সব ধরনের খাদ্যপণ্য আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে ঈদ সামনে রেখে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। অন্যদিকে প্রতি কেজি বেগুনের দাম ২০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ২০ টাকা বাড়তিতে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে। মাছ, পেঁয়াজ, রসুনসহ বেশির ভাগ নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার, শান্তিনগর কাঁচাবাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজারে এ চিত্র দেখা গেছে।

Read more ...

রোজা শুরুর আগের দিন প্রায় ৩২ হাজার টাকায় পুরো মাসের মুদিপণ্য কিনেছেন একটি প্রাইভেট ব্যাংকের কর্মকর্তা শামসুল আলম। এর মধ্যে রয়েছে ৫ কেজি ছোলা, ১০ কেজি পেঁয়াজ, ৫ কেজি রসুন, ৪ কেজি আদা, ১০ কেজি চিনি, ৫ কেজি মশুরের ডাল, ৩০ লিটার সয়াবিন তেল, ১০ কেজি পোলাওয়ের চাল, ২ কেজি চা-পাতা, ২০ কেজি গরুর গোশত, ৫ কেজি খাসির গোশত, ১২ কেজি ব্রয়লার মুরগি, ৪ হালি পাকিস্তানি জাতের কক মুরগি। কিনেছেন ২ কেজি লম্বা বেগুন, ৩ কেজি কাঁচামরিচ, ১ কেজি ধনেপাতা, ১ কেজি পুদিনা পাতা, ৫ কেজি শসা, ৩ কেজি গাজর, ৩ কেজি খেসারির ডাল, ৩ কেজি বেসন, ৫ কেজি খেজুরসহ ইফতার তৈরির বিভিন্ন সামগ্রী।

Read more ...

গোশতের নির্ধারিত দর মানছে না বিক্রেতারা। অনেক স্থানে দর মানা হলেও মাপে কম দেয়া হচ্ছে। গোশত বিক্রেতারা জানিয়েছেন সিটি করপোরেশন বাজারদর থেকে কম দাম নির্ধারণ করায় তারা মানতে পারছেন না। এ জন্য দাম ঠিক রাখলেও রুগ্ণ গরু এবং গোশতের সাথে হাড় বেশি ও চর্বিসহ অন্যান্য জিনিস দিয়ে কেজি পূরণ করা হচ্ছে।

Read more ...