নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় ইরানের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। আটটি দেশ বিশেষ ছাড় পাওয়ার পরও ইরান থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রফতানি অনেকাংশে কমতে শুরু করেছে। অর্থনীতির ওপর চাপ কমানো ও রফতানি বাজার ধরে রাখার স্বার্থে আগে থেকেই বিশেষ ছাড়ে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রফতানি করছে ইরান। এখন নতুন করে ছাড়ের পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে দেশটি। এর ফলে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তুলনায় ইরানি জ্বালানি তেলের রফতানি মূল্য অনেকটাই কমে যাবে। এ কারণে এশিয়ার দেশগুলো জ্বালানি পণ্যটির আমদানিতে আরো বেশি করে তেহরানমুখী হতে পারে। ইরানের এ উদ্যোগকে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরবের বিরুদ্ধে জ্বালানি তেলের মূল্যযুদ্ধের সূচনা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর রয়টার্স।

Read more ...

বিদ্যুতের বিভিন্ন ধরণের সিষ্টেমলস কমানোর জন্য ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মোট সাড়ে ৮ লাখ স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হচ্ছে। ঢাকা জেলার রমনা, জিগাতলা, ধানমন্ডি, আদাবর, পরিবাগ, কাকরাইল, বনশ্রী, মগবাজার, শ্যামলী, কামরাঙ্গীরচর, বাংলাবাজার, নারিন্দা, পোস্তগোলা ও ডেমরা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুলা, শীতলক্ষ্যা ও সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলায় প্রি-পেমেন্ট মিটার বসানো হবে। প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হলো, ফসলী জমি নষ্ট করে রাস্তা নির্মাণ করা নয়।

Read more ...

ডেসকোর এলাকায় সিস্টেম লস কমিয়ে আনার জন্য প্রথম পর্যায়ে ঢাকা ও টঙ্গী মিলে ১৪ এলাকার গ্রাহকদের স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনা হচ্ছে। এ ছাড়া বরাদ্দকৃত লোডের চেয়ে অধিক লোড ব্যবহাকারী গ্রাহকদের নিয়ন্ত্রণে আনাও এ উদ্যোগের অন্যতম একটি উদ্দেশ্য। ডেসকোর প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ঢাকা ও টঙ্গীতে ২ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহককে স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটারের আওতায় আনা হচ্ছে। বর্তমান মিটার রিডিং পদ্ধতিতে প্রচুর কারিগরি ও অকারিগরি সিস্টেম লস ও কম লোডে সঠিক মিটার রিডিং পাওয়া যায় না। পোস্ট পেইড মিটারিং পদ্ধতিতে প্রচুর বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকে। আর এ কারণে ডেসকো বছরে আনুমানিক ৫ শতাংশ গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। আজ মঙ্গলবার এই প্রিপেইড মিটার সংক্রান্ত ১৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) অনুমোদনের জন্য পেশ করা হচ্ছে। 

Read more ...

বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে জ্বালানি খাতের সমন্বয়ের কথা থাকলেও প্রস্তাবিত নতুন বাজেটে ভিন্ন চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও কমানো হয়েছে জ্বালানি খাতের।  ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বরাদ্দ খরচ করতে না পারার কারণে নতুন অর্থ বছরে বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রকল্প না থাকা, চলমান প্রকল্পের কাজ শেষ করতে না পারা এবং প্রকল্প পরিচালকদের অদক্ষতার কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Read more ...