বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পুরুষ অভিবাসীদের আয় তাদের সমপর্যায়ের নারী অভিবাসীদের চেয়ে ৭০ শতাংশ বেশি।

রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেশন মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট (আরএমএমআরইউ) পরিচালিত জরিপ প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অভিবাসী পুরুষদের অভিবাসন ব্যয় নারী অভিবাসীদের অভিবাসন ব্যয়ের চেয়ে সাড়ে তিনগুণ বেশি। নারী অভিবাসীদের অভিবাসন ব্যয় ছিল ৯০ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রে পুরুষ অভিবাসীদের অভিবাসন ব্যয় ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৪৬ টাকা। 

বুধবার সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ইমপ্যাক্ট অব মাইগ্রেশন অন প্রোভার্টি অ্যান্ড লোকাল ডেভলপমেন্ট’ বিষয়ক কর্মশালায় এ জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

বিসিএএস’র নির্বাহী পরিচালক ড. আতিক রহমান, প্রফেসর আবদুর রব খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর বজলুর এইচ খন্দকার, সুইস এজেন্সি ফর ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশনের (এসডিসি) সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নাজিয়া হায়দার প্রমুখ কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন।

আরএমএমআরইউ’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. তাসনিম সিদ্দিকী কর্মশালায় দারিদ্র্য ও স্থানীয় উন্নয়নে অভিবাসনের প্রভাব বিষয়ক এই জরিপ প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

শাহরিয়ার আলম বলেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে সরকার বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানো প্রক্রিয়া সহজতর করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

উল্লেখ্য, সরকারের অভিবাসন বান্ধব নীতির কারণে বিদেশে অভিবাসী পাঠানোর গড় ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমেছে। বর্তমানে বাংলাদেশি শ্রমিকরা নামমাত্র খরচে বিদেশ যাচ্ছেন। এতে তারা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন।

শাহরিয়ার বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে অভিবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল। এজন্য আমরা বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পুরুষ ও নারী উভয়ের নিরাপত্তার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি।

 

বাংলাবিজনিউজ/আরাফ