আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দর আবার বেড়েছে। এক মাসের বেশি সময় ধরে একই থাকার পর প্রতি ডলারে ৫ পয়সা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৮৩ টাকা ৭৫ পয়সায়। গত ২১ মে থেকে ডলার ৮৩ টাকা ৭০ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। এক ব্যাংক অন্য ব্যাংকের কাছে যে দামে ডলার বেচাকেনা করে, তা আন্তঃব্যাংক দর হিসেবে বিবেচিত। এ নিয়ে এক বছরে প্রতি ডলারের দর ৩ টাকা ১৫ পয়সা বা ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ বাড়ল।

Read more ...

বেসরকারি খাতে বিদেশ থেকে বাণিজ্যিক ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। তুরস্ক, কোস্টারিকা ও থাইল্যান্ডের চেয়েও বেসরকারি খাতে বিদেশ থেকে কম ঋণ নেয় বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। এমন তথ্য উঠে এসেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) আয়োজিত এক সেমিনারে।

Read more ...

মার্চ মাসে রফতানি ও রেমিট্যান্স মিলে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে ৪৩৫ কোটি ডলার। কিন্তু ওই মাসে পণ্য আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৪৮৪ কোটি ডলার। শুধু পণ্য আমদানিতেই ঘাটতি থাকছে প্রায় ৫০ কোটি ডলার। এর বাইরে বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশী নাগরিকদের পেছনে বেতনভাতা, বিভিন্ন সার্ভিস ও চিকিৎসাসেবা ব্যয়, বিদেশী ঋণের সুদাসলসহ পরিশোধ তো রয়েছেই। এভাবে দিন দিন চাহিদার চেয়ে ডলারের সরবরাহের পার্থক্য বেড়ে যাচ্ছে। এ পার্থক্য কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করেও কুলানো যাচ্ছে না। বরং এ সঙ্কট দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। এমনি পরিস্থিতিতে সরবরাহের ঘাটতি কমাতে না পারলে সামনে এ সঙ্কট বড় আকার ধারণ করতে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা।

Read more ...

বাংলাদেশে এক গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর প্রচুর অর্থ বিদেশে পাচার হচ্ছে।  ব্যাংকিং খাতের গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ ব্যাঙ্ক ম্যানেজমেন্ট বা বিআইবিএম এর এক গবেষণায় বলা হচ্ছে, আমদানি রপ্তানির মাধ্যমে এসব মানি লন্ডারিং-এর ঘটনা ঘটছে।  গবেষকরা বলছেন, বাংলাদেশ থেকে মানি লন্ডারিং এর ঘটনা অত্যন্ত ব্যাপক কিন্তু ঠিক কতো টাকা পাচার হচ্ছে সেটা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।

Read more ...