২০১৬ সালের প্রথম ১০ মাসে (জানুয়ারি-অক্টোবর) গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ভিয়েতনামের চাল রফতানি কমেছে ২১ দশমিক ২ শতাংশ। এর ফলে পণ্যটির রফতানি থেকে দেশটির আয়ও কমে গেছে। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন।

 

২০১৬ সালের জানুয়ারি-অক্টোবর সময়ে ভিয়েতনাম থেকে ৪২ লাখ টন চাল রফতানি হয়। আর এ পরিমাণ পণ্য রফতানি থেকে দেশটির আয় দাঁড়ায় ১৯০ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে যা ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ কম।

অন্যদিকে শুধুমাত্র চলতি বছরের অক্টোবরে ভিয়েতনাম ১৬ কোটি ৪০ লাখ ডলারের ৩ লাখ ৬৮ হাজার টন চাল রফতানি করেছে। ভিয়েতনামে উৎপাদিত চালের প্রধান আমদানিকারক দেশের তালিকায় রয়েছে চীন। ২০১৬ সালের প্রথম তিন প্রান্তিকে ভিয়েতনাম থেকে চীনে ৬১ কোটি ৩৮ লাখ ডলারের ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন চাল রফতানি হয়। ২০১৫ সালের প্রথম তিন প্রান্তিকের তুলনায় এবারে ভিয়েতনাম থেকে চীনে চাল রফতানি এবং এ থেকে আয় কমেছে যথাক্রমে ২৩ ও ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ। চীনের পাশাপাশি ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, আইভরি কোস্ট এবং হংকংয়েও ভিয়েতনাম থেকে চাল রফতানি কমতির দিকে রয়েছে। তবে ঘানা ও ইন্দোনেশিয়ায় তা বাড়তির দিকে আছে। ভিয়েতনামের চালের দ্বিতীয় শীর্ষ আমদানিকারক দেশ ঘানা। ২০১৬ সালের প্রথম নয় মাসে ঘানা ৩ লাখ ৮৭ হাজার টন চাল আমদানি করেছে ভিয়েতনাম থেকে, যা ১৮ কোটি ৯৬ লাখ ডলার মূল্যের। ২০১৫ সালের জানুয়ারি-অক্টোবর সময়ের চেয়ে এবারে ভিয়েতনাম থেকে ঘানার চাল রফতানি বেড়েছে ৪১ দশমিক ২ শতাংশ। আর একই সময়ের ব্যবধানে দেশটিতে পণ্যটি রফতানি করে ভিয়েতনামের আয় ৩৬ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে ।

এদিকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া ৩ লাখ ৫৯ হাজার টন চাল আমদানি করেছে ভিয়েতনাম থেকে। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে যা সাড়ে ২১ শতাংশ বেশি। এ রফতানি থেকে ১৪ কোটি ২৫ লাখ ডলার আয় করেছে দেশটি, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। ভিয়েতনাম থেকে একই সময় অ্যাঙ্গোলায় পণ্যটির রফতানি ও আয় বেড়েছে যথাক্রমে ৪ দশমিক ৪ ও সাড়ে ৩ শতাংশ।

ভিয়েতনাম ফুড অ্যাসোসিয়েশনের (ভিএফএ) তথ্যমতে, অভ্যন্তরীণ ব্যবসায়ীরা চাল রফতানি বৃদ্ধির সুযোগ খুঁজছেন। ফিলিপাইন স্থানীয় খাদ্যের চাহিদা পূরণে চলতি থেকে আগামী মৌসুম পর্যন্ত ভিয়েতনাম থেকে ২ লাখ ৯৩ হাজার ১০০ টন চাল আমদানির পরিকল্পনা করেছে।

 

বাংলাবিজনিউজ/আনোয়ার