ভারতীয় বিদ্যুৎনির্ভর হচ্ছে বাংলাদেশ। প্রথম বহরমপুর, এরপর ত্রিপুরার পালাতানা, এখন ঝাড়খণ্ড থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার। কুষ্টিয়া, দক্ষিণ কুমিল্লা এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ এই তিন অঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আনা হবে। এই তিন সাইট দিয়ে মোট আমদানি হবে ২ হাজার ৯৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, যা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। ইতোমধ্যে বহরমপুর থেকে বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয়েছে। ঝাড়খণ্ড দিয়ে আমদানির জন্য ২৮ কিলোমিটার ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালনলাইন নির্মাণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এর জন্য ব্যয় হবে ২২৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। আগামী মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পেশ করা হচ্ছে বলে একনেক সূত্রে জানা গেছে।

Read more ...

বিদ্যুতের বিভিন্ন ধরণের সিষ্টেমলস কমানোর জন্য ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মোট সাড়ে ৮ লাখ স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হচ্ছে। ঢাকা জেলার রমনা, জিগাতলা, ধানমন্ডি, আদাবর, পরিবাগ, কাকরাইল, বনশ্রী, মগবাজার, শ্যামলী, কামরাঙ্গীরচর, বাংলাবাজার, নারিন্দা, পোস্তগোলা ও ডেমরা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুলা, শীতলক্ষ্যা ও সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলায় প্রি-পেমেন্ট মিটার বসানো হবে। প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হলো, ফসলী জমি নষ্ট করে রাস্তা নির্মাণ করা নয়।

Read more ...

ডেসকোর এলাকায় সিস্টেম লস কমিয়ে আনার জন্য প্রথম পর্যায়ে ঢাকা ও টঙ্গী মিলে ১৪ এলাকার গ্রাহকদের স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনা হচ্ছে। এ ছাড়া বরাদ্দকৃত লোডের চেয়ে অধিক লোড ব্যবহাকারী গ্রাহকদের নিয়ন্ত্রণে আনাও এ উদ্যোগের অন্যতম একটি উদ্দেশ্য। ডেসকোর প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ঢাকা ও টঙ্গীতে ২ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহককে স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটারের আওতায় আনা হচ্ছে। বর্তমান মিটার রিডিং পদ্ধতিতে প্রচুর কারিগরি ও অকারিগরি সিস্টেম লস ও কম লোডে সঠিক মিটার রিডিং পাওয়া যায় না। পোস্ট পেইড মিটারিং পদ্ধতিতে প্রচুর বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকে। আর এ কারণে ডেসকো বছরে আনুমানিক ৫ শতাংশ গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। আজ মঙ্গলবার এই প্রিপেইড মিটার সংক্রান্ত ১৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) অনুমোদনের জন্য পেশ করা হচ্ছে। 

Read more ...

বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে জ্বালানি খাতের সমন্বয়ের কথা থাকলেও প্রস্তাবিত নতুন বাজেটে ভিন্ন চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও কমানো হয়েছে জ্বালানি খাতের।  ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বরাদ্দ খরচ করতে না পারার কারণে নতুন অর্থ বছরে বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রকল্প না থাকা, চলমান প্রকল্পের কাজ শেষ করতে না পারা এবং প্রকল্প পরিচালকদের অদক্ষতার কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Read more ...