প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঈদ উপলক্ষে নতুন টাকার নোট বাজারে ছেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার থেকে পাওয়া যাবে এই নতুন নোট।


ঈদের আগের শেষ কর্মদিবস পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত লেনদেন চলাকালীন এই নোট সংগ্রহ করা যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব কাউন্টারসহ বাণিজ্যিক ব্যাংকের ২০টি শাখা হতে নতুন নোট বদলে নেওয়া যাবে।
রাজধানীর ১৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের যে ২০টি শাখায় বিশেষ কাউন্টার খুলে নতুন নোট বদলে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে সে শাখাগুলো হলো- সোনালী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখা, জনতা ব্যাংকের আবদুল গনি রোড করপোরেট শাখা ও নিউমার্কেট শাখা, অগ্রণী ব্যাংকের এলিফ্যান্ট রোড শাখা, রূপালী ব্যাংকের মহাখালী শাখা, পূবালী ব্যাংকের সদরঘাট শাখা, ন্যাশনাল ব্যাংকের যাত্রাবাড়ী শাখা, ইসলামী ব্যাংকের শ্যামলী শাখা, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বনানী শাখা, সাউথইস্ট ব্যাংকের কারওয়ানবাজার শাখা, এসআইবিএলের বসুন্ধরা সিটি মার্কেট শাখা, উত্তরা ব্যাংকের চকবাজার শাখা, ওয়ান ব্যাংকের বাসাবো শাখা, আইএফআইসি ব্যাংকের গুলশান শাখা, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের মোহাম্মদপুর শাখা, ব্যাংক এশিয়ার ধানমন্ডি শাখা, ঢাকা ব্যাংকের উত্তরা শাখা, দি সিটি ব্যাংকের মিরপুর শাখা, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের মালিবাগ শাখা এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের দক্ষিণখানের এসএমই অ্যান্ড কৃষি শাখা।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, একজন গ্রাহক একবারে ২ টাকা, ৫ টাকা, ১০ টাকা, ২০ টাকা এবং ৫০ টাকার বান্ডেলের একটি প্যাকেটে মোট ৮ হাজার ৭০০ টাকা বদলে নিতে পারবেন। তবে ধাতবমুদ্রা বিনিময়ের কোনো সীমা নেই। যেকোনো পরিমাণের ধাতবমুদ্রা ব্যাংক থেকে বদলে নেওয়া যাবে।
এবারের ঈদে ১৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়া হবে। তবে খুচরা লেনদেনের সুবিধার্থে ২০ হাজার কোটি টাকার পুরানো নোট (রি-ইস্যু) বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি রয়েছে সংস্থাটির।
জানা গেছে, রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে তিনটি কাউন্টার থেকে নতুন নোট বদলে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যেক ব্যক্তি নোট ছাড়ার পর থেকে ঈদের আগের শেষ কর্মদিবস পর্যন্ত মাত্র দুইবার নতুন নোট বদলে নিতে পারবেন। আর এ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের জন্য গতবারের মতো এবারো আঙ্গুলের ছাপ প্রযুক্তি ব্যবহার করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এছাড়াও ঢাকার বাইরে অবস্থিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব শাখা অফিসে বিশেষ কাউন্টার খোলা হবে। এসব শহরের নির্দিষ্ট কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংকেও একই রকম ব্যবস্থা থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিবার্হী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, ‘প্রতিবছরের মত এবারও ঈদ উপলক্ষে নতুন নোট ব্যাংকগুলোকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ঈদের সময় জনসাধারণের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ কাউন্টার থেকে নতুন নোট বদলে নেওয়ার সুযোগ দেই। ক্যাশ কাউন্টার থেকে একজন ব্যক্তি যাতে দুইবারের বেশি নতুন নোট নিতে না পারে সেজন্য এবারও আঙুলের ছাপ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।’

 

বাংলাবিজনিউজ/আনোয়ার