২০১৫ সালে ঋণ পুনঃতফসিল ও পরিশোধের মেয়াদ বাড়ানোর কারণে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ কিছুটা কমেছিল। কয়েকটি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর মতে, পুনঃতফসিল করা ঋণও নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করেননি ব্যবসায়ীরা। এর ফলে খেলাপির পরিমাণ বেড়েছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ প্রদাণ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ কিছুটা বেড়েছে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত দেশে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৩ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। যা মোট ঋণের ১০ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ প্রদাণ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাংক খাতে জুন পর্যন্ত মোট ঋণের স্ফীতি ছিল ৬ লাখ ৩০ হাজার ১৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৬৩ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা খেলাপি হয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ঋণ খেলাপ হয়েছে সরকারি মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে। এসব ব্যাংকের মোট ঋণের ২৬ দশমিক ১৪ শতাংশ হচ্ছে খেলাপি ঋণ।

রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের ৫টি ব্যাংকে (সোনালী, রূপালী, অগ্রণী, জনতা ও বেসিক ব্যাংক) মোট ঋণের ২৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ হচ্ছে খেলাপি ঋণ।

এ ছাড়া বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোতে মোট ঋণের ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ হচ্ছে খেলাপি ঋণ। বাংলাদেশে ব্যবসায়রত বিদেশি ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ হচ্ছে খেলাপি ঋণ। মার্চ থেকে জুন এই তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে চার হাজার কোটি টাকারও বেশি। তিন মাস আগে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ।

 

বাংলাবিজনিউজ/আনোয়ার