বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেছেন, মোবাইলে আর্থিক লেনদেনে সিমের মালিক শনাক্ত করা হলে সন্দেহজনক অর্থায়ন কমবে।

 

তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন অনেকাংশে বেড়েছে। এসব লেনদেনের ওপর নজরদারিও রাখা হচ্ছে। কিন্তু কিছু টেকনিক্যাল কারণে বিষয়টি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যায় না। এক্ষেত্রে মোবাইলে আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যদি লেনদেনের সময় সিমকার্ডের মালিককে শনাক্ত করতে পারে তাহলে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন কমে যাবে।

অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অর্থায়ন রোধে কর্মকর্তাদের নিয়ে মোবাইলে আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ কর্তৃক আয়োজিত কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

শনিবার গুলশানের লেকশোর হোটেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় ‘অ্যান্টি-মানিলন্ডারিং অ্যান্ড কমব্যাটিং ফাইন্যান্সিং অব টেরোরিজম (এএমএল অ্যান্ড সিএফটি) রেলিভ্যান্স, চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড প্রাকটিক্যালমেজারস’ শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

শুভঙ্কর সাহা বলেন, সেবা প্রদানকারী এজেন্টকে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের আইনকানুন সর্ম্পকে অবহিত করতে হবে। তাহলে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়নে রোধ করা সম্ভব হবে।

এক্ষেত্রে এ সংক্রান্ত বিধিমালা কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেন তিনি।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটের উপপরিচালক আল আমীন রিয়াদ।

অনুষ্ঠানে বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বলেন, বিকাশ বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এএমএল অ্যান্ড সিএফটি সংক্রান্ত বিধিমালা সম্পূর্ণভাবে পরিপালন করছে এবং এক্ষেত্রে বিকাশ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’

বিকাশের চিফ এক্সটারনাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার অ্যান্ড চিফ অ্যান্টি মানিলন্ডারিং অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স অফিসার মেজর জেনারেল (অব.) শেখ মো. মনিরুল ইসলাম ছাড়াও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা  উপস্থিত ছিলেন।

 

বাংলাবিজনিউজ/আনোয়ার