চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য সংযত ও সংকুলানমুখী মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিবেশবান্ধব মুদ্রা ও অর্থায়ন নীতির ধারাবাহিকতা নতুন অর্থবছরের মুদ্রানীতিতেও বজায় রাখা হবে।

 

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম সম্মেলনকক্ষে মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর ফজলে কবির। গত মার্চে গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তার প্রথম মুদ্রানীতি ঘোষণা।

মুদ্রানীতি ঘোষণার শুরুতে গভর্নর বলেন, ‘দেশের অর্থনীতির টেকসই অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশবান্ধব প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারের কার্যক্রমের সহায়তার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি পরিমিত ও স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে সংযত ও সংকুলানমুখী মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হলো।’

তিনি জানান, মুদ্রানীতিতে সরকারের বাজেটে ঘোষিত ৭ দশমিক ২ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে। ৫ দশমিক ৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বর্ধিষ্ণু অর্থনীতিতে বর্ধিত মুদ্রায়নের চাহিদা পূরণে বেসরকারি বিনিয়োগের বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য চলতি অর্থবছরের জন্য ব্যাপক মুদ্রার প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন ধরা হয়েছে ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণ বাড়িয়ে ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে। আগের মুদ্রানীতিতে এর পরিমাণ ছিল ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

অভ্যন্তরীণ ঋণের মধ্যে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধিও বাড়িয়ে প্রাক্কলন ধরা হয়েছে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। আগের মুদ্রানীতিতে এর পরিমাণ ছিল ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ।

গত মে মাসের মধ্যে আগের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম হওয়ায় এই লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

বাংলাবিজনিউজ/আনোয়ার