এলসি (ঋণপত্র) খোলার পরদিনই আমদানি পণ্য হাতে পাওয়ার মতো অবিশ্বাস্য জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে বিডিবিএলে (বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড)। এরপর ওই আমদানি পণ্যের বিপরীতে টাকার জন্য আবেদন করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ কোটি টাকা ছাড় করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতারণার মাধ্যমে ওই অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে ঢাকা ট্রেডিং হাউস নামে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। সংশ্নিষ্ট সূত্রে এ খবর জানা গেছে। সূত্র জানায়, ব্যাংকের নিরীক্ষা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ভুয়া কাগজপত্রে অর্থ লোপাটের তথ্য-প্রমাণ বেরিয়ে এসেছে ওই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) এ-সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেশ করা হলে কমিশন সেটি যাচাই করে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়।

Read more ...

মাস ছয়েক আগেও আন্তঃ ব্যাংক মুদ্রাবাজারে (কলমানি মার্কেটে) ১০০ টাকা খাটালে পাওয়া যেত ৪ টাকা। গতকাল তা নেমে এসেছে ১৫ পয়সায়। হঠাৎ নাই নাই-এর মধ্যে কলমানি মার্কেটের এমন অবস্থার পেছনে সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানতকে আশীর্বাদ বলে মনে করছেন বেশির ভাগ ব্যাংকার। কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকের তহবিল ব্যবস্থাপক স্বস্তির ঢেঁকুর তুলে বলেন, আমরা দেশের মোট বিনিয়োগে ৭০ শতাংশ আবদান রাখলেও সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানত পেতাম ২৫ শতাংশ। আর বিনিয়োগের ৩০ শতাংশ অবদান রেখে সরকারি ব্যাংকগুলো সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানত পেত ৭৫ শতাংশ। ফলে সরকারি ৫ ব্যাংকের কাছে সবসময় উদ্বৃত্ত তারল্য থাকত, যার মাধ্যমে পুরো কলমানি মার্কেট নিয়ন্ত্রণ হতো। বর্তমানে এ অবস্থার অবসান হচ্ছে। ৫০ শতাংশ সরকারি আমানত বেসরকারি ব্যাংকে আসায় বেসরকারি ব্যাংকগুলোর নগদ টাকার সঙ্কট কেটে যাচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে কলমানি মার্কেটে।

Read more ...

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নতুন টাকা সরবরাহ করবে বাংলাদেশ। নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংক থেকে এ টাকা সংগ্রহ করা যাবে। মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) বিকেলে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত আগামী ১৩ থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত গ্রাহকরা নতুন টাকা সংগ্রহ করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন অফিসের কাউন্টারের মাধ্যমে জনসাধারণের মাঝে নতুন নোট বিনিময় করা হবে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের ১৪টি শাখা থেকেও ১০, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকা মূল্যমানের নতুন নোট প্রতিটি একটি প্যাকেট করে বিশেষ ব্যবস্থায় বিনিময় করা হবে।

Read more ...

ব্যাংক ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশে নামিয়ে আনার জন্য বেসরকারি ব্যাংকের ওপর পরোক্ষভাবে চাপ সৃষ্টি করা হবে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারণ করা হবে বেশ কিছু কৌশল। এই কৌশলের আওতায় সেসব বেসরকারি ব্যাংক ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশে নামিয়ে আনবে না তাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখা হবে। একই সাথে চালানো হবে বিশেষ পরিদর্শন। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর ঋণ পরিস্থিতি, ব্যবস্থাপনা ব্যয় খতিয়ে দেখা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে ব্যাংকিং বিধিবিধান। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এই দায়িত্ব পালনের জন্য বলা হবে বলে জানা গেছে। 

Read more ...