ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে ফেরত না দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। ফলে হু হু করে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। গত কয়েক বছর ধরে ব্যাংক খাতে সুশাসন না থাকায় এ প্রবণতা বাড়ছে বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালের শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা। ২০১৭ সাল শেষে তা দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ৩০৩ কোটি টাকায়। অর্থাৎ ছয় বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৫১ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ অব্যাহতভাবে বাড়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে খোদ বাংলাদেশ ব্যাংক।

Read more ...

গ্রাহকেরা নানাভাবে ব্যাংকে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আর এ হয়রানির মাত্রা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুধু এক মাসেই হয়রানির শিকার হয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে অভিযোগ করেছেন ৪০১ গ্রাহক। গ্রাহক হয়রানির শীর্ষে রয়েছে বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। এর পরেই রয়েছে সরকারি খাতের সোনালী ও অগ্রণী ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ তথ্য গত ফেব্রুয়ারি মাসের। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

Read more ...

দেশে কর্মসংস্থান কমে গেছে, তাই কর্মসংস্থান বাড়াতে এবার বিশ্বব্যাংকের দ্বারস্থ হচ্ছে সরকার। এই জন্য সংস্থাটির কাছ থেকে ৭৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ নেয়া হবে। বাংলাদেশী মুদ্রায় এই ঋণের আকার ছয় হাজার ১৫০ কোটি টাকা ‘ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিটের (ডিপিসি)’ আওতায় তিন বছরে এই ঋণ প্রদান করবে বিশ্বব্যাংক। প্রতি বছর বাজেটসহায়তা হিসেবে সংস্থাটি ২৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ প্রদান করবে। বিশ্বব্যাংক ইতোমধ্যে এই ঋণ দেয়ার বিষয়ে সম্মতি প্রদান করেছে। এখন সংস্থাটির সাথে চুক্তির দিনক্ষণ ঠিক করা হবে বলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে।

Read more ...

দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর ধরে ঋণের সুদহার স্থিতিশীল ছিল। এ সময় ঋণের চাহিদা কম ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির বেসরকারি খাতের ঋণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছিল না। ব্যাংকে ছিল প্রায় সোয়া লাখ কোটি টাকার উদ্বৃত্ত তহবিল। ফলে ঋণের সুদহার ডাবল ডিজিট অর্থাৎ দুই অঙ্কের ঘর থেকে কোনো কোনো ক্ষেত্রে সিঙ্গেল ডিজিট বা এক অঙ্কের ঘরে নেমে গিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে তিন মাস ধরে ঋণের সুদহার বাড়ছে। বলা চলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১৪-১৫ শতাংশ উঠে গেছে। এ কারণে ব্যাংকগুলোতেও নগদ টাকার তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। সুদহার বেড়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে সাধারণ গ্রাহক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

Read more ...