ব্যাংক ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশে নামিয়ে আনার জন্য বেসরকারি ব্যাংকের ওপর পরোক্ষভাবে চাপ সৃষ্টি করা হবে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারণ করা হবে বেশ কিছু কৌশল। এই কৌশলের আওতায় সেসব বেসরকারি ব্যাংক ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশে নামিয়ে আনবে না তাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখা হবে। একই সাথে চালানো হবে বিশেষ পরিদর্শন। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর ঋণ পরিস্থিতি, ব্যবস্থাপনা ব্যয় খতিয়ে দেখা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে ব্যাংকিং বিধিবিধান। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এই দায়িত্ব পালনের জন্য বলা হবে বলে জানা গেছে। 

Read more ...

জুনে পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। ব্যাংকে আমানত রাখলে পাওয়া যাচ্ছে ৬ শতাংশ। কোনো গ্রাহকের কর শনাক্তকারী নম্বর (টিআইএন) থাকলে মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ কর কাটা হয়। আর টিআইএন না থাকলে ১৫ শতাংশ কর কাটা হয়। এর সাথে ব্যাংক সার্ভিস চার্জ বাদ দিলে ১০০ টাকার আমানত রেখে বছর শেষে ৫ টাকারও কম পাওয়া যায়। এ হিসাবে ব্যাংকে ১০০ টাকা আমানত রাখলে গ্রাহকের প্রকৃত সুদ বা মুনাফা হাওয়া হয়ে যাচ্ছে। উপরন্তু মূলধন কিছু কমে যাচ্ছে। এমনি পরিস্থিতিতে সাধারণ সঞ্চয়কারীদের শেষ ভরসা ছিল সঞ্চয়পত্র। কিন্তু সেই সেই সঞ্চয়পত্রেরও সুদহার কমানো হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়ে যাচ্ছেন সঞ্চয়কারীরা।

Read more ...

কৃষি ও ক্ষুদ্র শিল্প ঋণের মাধ্যমে গ্রামে টাকার প্রবাহ বাড়ে, চাঙ্গা হয় গ্রামীণ অর্থনীতি। সৃষ্টি হয় নতুন নতুন কর্মসংস্থান। কিন্তু এ গ্রামীণ অর্থনীতিতে টাকার প্রবাহ দিন দিন কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান মতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) এখাতে (নন-ফার্ম রুরাল ক্রেডিট) বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩০ শতাংশ। শুধু ক্ষুদ্র শিল্প ঋণেই কমেনি, কমেছে কৃষি ঋণও। আলোচ্য সময়ে কৃষি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র এক দশমিক ৭২ শতাংশ, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২২ দশমিক ৭৩ শতাংশ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ অবকাঠামো সুবিধার অভাব ও সামগ্রিক অবস্থার প্র্রভাব পল্লী এলাকায় পড়েছে। বিনিয়োগ কমায় সঙ্কোচিত হয়ে আসছে কর্মস্থান।

Read more ...

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এক অংকে সুদহার নামানোর সিদ্ধান্ত বাস্তাবায়নে সরকারি ব্যাংকগুলোতে পড়ে থাকা অলস অর্থ ৬ শতাংশ সুদে বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে দেয়া হবে। এতদিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো এই অর্থ ঋণ হিসেবে ১০ শতাংশ সুদের উপরে বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে প্রদান করতো। সোমবার ব্যাংকার্স সভার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজি হাসান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রিফর্ম উপদেষ্টা এস কে সুর চৌধুরীসহ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এমডিরা উপস্থিত ছিলেন।

Read more ...