সমস্যাকবলিত ফারমার্স ব্যাংক থেকে সব উদ্যোক্তা পরিচালক পদত্যাগ করেছেন। গত কয়েক দিনে তারা পর্যায়ক্রমে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ব্যাংকটির পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে তারা পদত্যাগ করেছেন বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে। তবে একজন উদ্যোক্তা পরিচালক অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপে তারা পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন।

Read more ...

ফারমার্স ব্যাংক অবশেষে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বা পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) দিকেই যাচ্ছে। ব্যাংকটিতে সরকারের  শেয়ার থাকবে ৬০ শতাংশ। আর বেসরকারি উদ্যোক্তাদের শেয়ার থাকবে ৪০ শতাংশ। এ ব্যাপারে আইনি বাধা দূর হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার (৮ মে) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংককে ‘ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১’ এর ১৪ক এবং ২৬ক ধারার বিধান পরিপালন থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। ফলে ফারমার্স ব্যাংকের শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে সরকারি ওই চার ব্যাংক এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) আর কোনও বাধা থাকলো না। এরই মধ্য দিয়ে ফারমার্স ব্যাংকের পর্ষদে রাষ্ট্রায়ত্ত ওই ৫ প্রতিষ্ঠানের একজন করে প্রতিনিধি থাকার বিষয়টিও পাকাপোক্ত হয়েছে। তারপরও ব্যাংক আস্থা ফিলে পাবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ে আছেন সংশ্লিষ্টরা।

Read more ...

বড় ঋণের ফাঁদে আটকা পড়েছে দেশের ব্যাংকিং খাত। সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ব্যাংকিং খাতের মোট ঋণের প্রায় সাড়ে ৫৭ শতাংশই বড় ঋণ। এ ঋণের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ৪০ শতাংশ, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ৬৫ শতাংশ, বিশেষায়িত ব্যাংকের ৪৭ শতাংশ এবং বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের ৭৩ শতাংশ বড় ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে। ২০১৬ সালে ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের ৫৮ শতাংশ ছিল বড় ঋণ। কয়েক বছর ধরে বড় ঋণের দিকে বেশি ঝুঁকছে ব্যাংকগুলো। বড় ঋণের কারণে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সব ধরনে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

Read more ...

সরকারের নির্বাচনী বছরে ও ব্যবসায়ীদের চাপে ঋণের সুদহার কমাতে বহুমুখী উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু এসব উদ্যোগ নিষ্ফল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তারা বলেছেন, গত কয়েক বছরে ব্যাপক লুটপাটের পর ব্যাংকিং খাতে তীব্র নগদ টাকার সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এ সঙ্কট মোকাবেলায় আমানত বাড়াতে হবে। আর এ জন্য চড়া সুদেই তাদেরকে আমানত সংগ্রহ করতে হবে। চড়া সুদে আমানত সংগ্রহ করে কম সুদে ঋণ বিতরণ করা মোটেও সম্ভব হবে না। ফলে সিআরআর হার কমানোই হোক, আর ব্যাংক রেট কমানো হোক কোনো উদ্যোগই কাজে আসবে না। এতে কেবল ব্যাংকগুলোর কিছুটা তহবিল বাড়বে, তহবিল ব্যয় কমবে না।

Read more ...