উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ সুবিধা নিয়ে ঋণ পুনর্গঠনের মাধ্যমে শিল্প গ্রুপগুলো লোকসান কাঠিয়ে উঠবে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানগুলো চালু রেখে আয়-উপার্জনের মাধ্যমে ঋণের অর্থ পরিশোধ করবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, ঋণ পুনর্গঠনের সুবিধা নেয়ার পর প্রতিষ্ঠানগুলো তা পরিশোধ করছে না। যে পরিমাণ ঋণ পুনর্গঠন করেছিল তার কিস্তি পরিশোধ না করায় সুদে-আসলে তা ক্রমন্বয়ে বেড়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, উচ্চ আদালত থেকে খেলাপি ঋণের ওপর স্থাগিতাদেশ নিয়ে বড় বড় গ্রুপ অন্য ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা নিচ্ছে। এতে ব্যাংকের পুঞ্জীভূত খেলাপি ঋণ বেড়ে যাচ্ছে। বেড়ে যাচ্ছে লোকসানের পাল্লা।

Read more ...

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নতুন নোট বিনিময় শুরু হয়েছে। সোমবার মতিঝিলসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব শাখা অফিস থেকে নতুন নোট ছাড়া হয়। রাজধানীর ১৪টি শাখার বিশেষ কাউন্টার থেকেও বিনিময়ের মাধ্যমে নতুন নোট নেওয়া যাচ্ছে। ঈদের আগে আগামী ২০ আগস্ট পর্যন্ত নোট বিনিময় করা যাবে। অবশ্য প্রথম দিন খুব একটা ভিড় ছিল না বলে জানা গেছে।

Read more ...

এলসি (ঋণপত্র) খোলার পরদিনই আমদানি পণ্য হাতে পাওয়ার মতো অবিশ্বাস্য জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে বিডিবিএলে (বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড)। এরপর ওই আমদানি পণ্যের বিপরীতে টাকার জন্য আবেদন করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ কোটি টাকা ছাড় করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতারণার মাধ্যমে ওই অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে ঢাকা ট্রেডিং হাউস নামে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। সংশ্নিষ্ট সূত্রে এ খবর জানা গেছে। সূত্র জানায়, ব্যাংকের নিরীক্ষা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ভুয়া কাগজপত্রে অর্থ লোপাটের তথ্য-প্রমাণ বেরিয়ে এসেছে ওই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) এ-সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেশ করা হলে কমিশন সেটি যাচাই করে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়।

Read more ...

মাস ছয়েক আগেও আন্তঃ ব্যাংক মুদ্রাবাজারে (কলমানি মার্কেটে) ১০০ টাকা খাটালে পাওয়া যেত ৪ টাকা। গতকাল তা নেমে এসেছে ১৫ পয়সায়। হঠাৎ নাই নাই-এর মধ্যে কলমানি মার্কেটের এমন অবস্থার পেছনে সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানতকে আশীর্বাদ বলে মনে করছেন বেশির ভাগ ব্যাংকার। কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকের তহবিল ব্যবস্থাপক স্বস্তির ঢেঁকুর তুলে বলেন, আমরা দেশের মোট বিনিয়োগে ৭০ শতাংশ আবদান রাখলেও সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানত পেতাম ২৫ শতাংশ। আর বিনিয়োগের ৩০ শতাংশ অবদান রেখে সরকারি ব্যাংকগুলো সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানত পেত ৭৫ শতাংশ। ফলে সরকারি ৫ ব্যাংকের কাছে সবসময় উদ্বৃত্ত তারল্য থাকত, যার মাধ্যমে পুরো কলমানি মার্কেট নিয়ন্ত্রণ হতো। বর্তমানে এ অবস্থার অবসান হচ্ছে। ৫০ শতাংশ সরকারি আমানত বেসরকারি ব্যাংকে আসায় বেসরকারি ব্যাংকগুলোর নগদ টাকার সঙ্কট কেটে যাচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে কলমানি মার্কেটে।

Read more ...