একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই বেসরকারি খাতে আরো একটি নতুন ব্যাংক অনুমোদনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আকস্মিক পর্ষদ সভায় বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) বা ব্যাংক স্থাপনের আগ্রহপত্র দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। তবে এলওআই পেতে নতুন ব্যাংকটির উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশ ব্যাংকের আগামী পর্ষদ সভা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গতকালের ওই পর্ষদ সভায় নতুন আরো দুটি ব্যাংক অনুমোদনের বিষয়েও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে। এজন্য পিপলস ব্যাংক ও সিটিজেন ব্যাংককে আগামী পর্ষদ সভার আগে ঘাটতি থাকা কাগজপত্র সরবরাহ করতে হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকের আগামী পর্ষদ সভা থেকেই নতুন তিনটি ব্যাংকের লেটার অব ইনটেন্ট দেয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

Read more ...

অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় চলে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক। পরিস্থিতি এমন যে, সরকারি ভালো ব্যাংকও এখন খারাপের দিকে চলে গেছে। এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ সরকারি দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংক জনতা। এক বছর আগে যে ব্যাংকের উদ্বৃত্ত মূলধন ছিল, এখন সেই ব্যাংকেই মূলধন ঘাটতি ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। সরকারি ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণের সিকি ভাগও আদায় করতে পারছে না। দুর্নীতি, জালিয়াতির মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের ঋণ প্রদান এবং খেলাপি ঋণ আদায়ে ব্যর্থতাকেই সরকারি ব্যাংকগুলোর নাজুক অবস্থার জন্য দায়ী করা হচ্ছে। আগামীতে এই ব্যাংকগুলোকে ভালো দিকে নিয়ে যাওয়া বেশ কষ্টকর হবে বলে মনে করছেন ব্যাংকিং খাত বিশ্লেষকেরা।

Read more ...

ব্যাংকের তরল সম্পদের প্রায় তিন-চতুথাংশই সরকারের কোষাগারে আটকে আছে। মোট দুই লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা তরল সম্পদের মধ্যে প্রায় পৌনে দুই লাখ কোটি টাকাই বিল ও বন্ড আকারে সরকারের কোষাগারে রয়েছে। ব্যাংকারেরা জানিয়েছেন, ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকার দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ নেয়ায় সরকারের কোষাগারে বেশি পরিমাণ অর্থ আটকে যাচ্ছে। এর ফলে বেসরকারি খাতে ব্যাংকের বিনিয়োগ সক্ষমতা কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি সরকারের ঋণ পরিচর্চা অর্থাৎ সুদব্যয়সহ জনগণের ঘাড়ে ঋণের বোঝা বেড়ে যাচ্ছে।

Read more ...

দেশের ঋণ খেলাপিদের মনোভাবে কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে এবার মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি ঋণ খেলাপিদের নির্লজ্জ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, ঋণ খেলাপিদের মনোভাব এখনও চেঞ্জ হয়নি। এটা খুবই দুঃখজনক যে তারা ঋণ নিয়ে আর ফেরত দিতে চান না। তারা নির্লজ্জ।

Read more ...