খেলাপি ঋণের পাশাপাশি ব্যাংকের খাতায় যেসব ঋণ নিয়মিত দেখানো হচ্ছে ওই সব ঋণও এখন আদায় হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সাত ব্যাংকের নিয়মিত ঋণ আদায়ে খরা চলছে। ব্যাংকগুলো গত ছয় মাসে এক টাকাও আদায় করতে পারেনি। এর মধ্যে পাঁচটিই নতুন প্রজন্মের ব্যাংক।

Read more ...

ঋণের সুদহার কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে নজিরবিহীনভাবে চারটি বড় সুবিধা আদায় করে নিয়েছিলেন ব্যাংকের পরিচালকেরা। আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের বাধ্যতামূলক নগদ জমার হার (সিআরআর) ১ শতাংশ কমিয়ে নেয়া হয়। এতে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বের করে নেন উদ্যোক্তারা। একই সাথে রেপোর হার (সঙ্কট মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে ধারের হার) পৌনে ১ শতাংশ কমিয়ে পৌনে ৭ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। পাশাপাশি বিনিয়োগসীমা কমিয়ে আনার সময়সীমা প্রায় এক বছর বাড়িয়ে নেয়া হয়। বিপরীতে ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে অর্থাৎ এক অঙ্কের ঘরে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন পরিচালকেরা। একই সাথে বেসরকারি ব্যাংকগুলো সরকারি আমানতের ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে নেয়।

Read more ...

ইসলামী ব্যাংকসহ দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের বিনিয়োগ-আমানত অনুপাত নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে নামিয়ে আনার জন্য নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্দেশ দেয়ার পরও বেসরকারি খাতের প্রিমিয়ার ব্যাংক গত বছর আমানত সংগ্রহের তুলনায় দশ গুণ বেশি ঋণ বিতরণ করেছে। ব্যাংকটির ইসলামী ব্যাংকিং উইংয়ের আমানত সংগ্রহের প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশ হলেও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেছে ৬৫ শতাংশ। ফলে ব্যাংকের বিনিয়োগ আমানত (আইডিআর) অনুপাত ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৪০ শতাংশে। অথচ থাকার কথা ছিল ৮৯ শতাংশে। নির্দেশনা না মানার কারণ জানতে চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠির জবাব দিয়েছে প্রিমিয়ার ব্যাংক। কিন্তু সেই ব্যাখ্যায়ও সন্তুষ্ট হয়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

Read more ...

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে সমস্ত ব্যাংকগুলোর ওপর জারি করা কেন্দ্র এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঈদের আগে নোট জালকারী চক্রের 'অপতৎপরতা' বাড়ে এবং তার জন্য কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সাথে কীভাবে জাল নোট সহজে চেনা যায় - সে সম্পর্কেও নির্দেশনাগুলো নতুন করে মনে করিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

Read more ...