বাংলাদেশে যেকোনো ব্যাংক সাইবার হামলার শিকার হতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশে ব্যাংক এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে। সম্প্রতি ভারতের পুনেতে কসমস ব্যাংক থেকে হ্যাকিং-এর মাধ্যমে ৯৪ কোটি রুপি লোপাটের ঘটনার পর বাংলাদেশ ব্যাংক এই পদক্ষেপ নিলো। দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যেন তাদের সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করে, তার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাদের নেয়া পদক্ষেপের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, " আমরা মাঝে-মধ্যে এ ধরণের নির্দেশনা দেই। তাছাড়া একটানা ২১ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত আমাদের ব্যাংকগুলো বন্ধ থাকবে। যেহেতু কেউ থাকবে না সেজন্য যেকোনো জিনিস ঘটার আশঙ্কা থাকতে পারে।"

Read more ...

ব্যাংকিং খাত আবার সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে গেছে। এ ঝুঁকির বিষয়টি আরো জোরালো হয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো এক সতর্কবার্তায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেছেন, চীন, জাপান, কাজাখস্তান ও রুমানিয়া এই চার দেশের হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কম্পিউটারগুলোতে ম্যালওয়্যার স্থাপন করে অনবরত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে। এমনি পরিস্থিতিতে রিজার্ভ চুরির মতো বড় ধরনের দুর্ঘটনা রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক তাই ব্যাংকগুলোকে কঠোর সতর্ক বার্তা দিয়েছে। গতকাল সব ব্যাংক ও ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো বার্তায় বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যাংকগুলোকে সম্ভাব্য সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে নির্দেশ দিয়েছে। একই সাথে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়ে নিবিড় তদারকি নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্র্দেশ দেয়া হয়েছে।

Read more ...

ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণের অর্ধেকই ৫ ব্যাংকের দখলে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, মোট ৭৪ হাজার ৩০২ কোটি টাকা খেলাপি ঋণের মধ্যে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকাই রয়েছে এই ৫ ব্যাংকের, যা মোট খেলাপি ঋণের ৪৯ দশমিক ২ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। গত ডিসেম্বরভিত্তিক তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

Read more ...

উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ সুবিধা নিয়ে ঋণ পুনর্গঠনের মাধ্যমে শিল্প গ্রুপগুলো লোকসান কাঠিয়ে উঠবে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানগুলো চালু রেখে আয়-উপার্জনের মাধ্যমে ঋণের অর্থ পরিশোধ করবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, ঋণ পুনর্গঠনের সুবিধা নেয়ার পর প্রতিষ্ঠানগুলো তা পরিশোধ করছে না। যে পরিমাণ ঋণ পুনর্গঠন করেছিল তার কিস্তি পরিশোধ না করায় সুদে-আসলে তা ক্রমন্বয়ে বেড়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, উচ্চ আদালত থেকে খেলাপি ঋণের ওপর স্থাগিতাদেশ নিয়ে বড় বড় গ্রুপ অন্য ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা নিচ্ছে। এতে ব্যাংকের পুঞ্জীভূত খেলাপি ঋণ বেড়ে যাচ্ছে। বেড়ে যাচ্ছে লোকসানের পাল্লা।

Read more ...